আমরা কীভাবে রেমিট্যান্স রেট তুলনা করি
ratebd একটি প্রশ্নের উত্তর দেয়: একই পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কত টাকা পৌঁছায়? আমরা ঠিক কীভাবে তা হিসাব করি, নিচে দেওয়া হলো।
আমরা কী সংগ্রহ করি
প্রতিদিন ০৩:০০ UTC-তে একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পাবলিক দামের ক্যালকুলেটরে আমাদের তালিকার প্রতিটি দেশ থেকে দুটি সাধারণ অঙ্ক পাঠানোর কোট চায়, যেমন যুক্তরাজ্য থেকে ৫০০ ও ১,০০০ পাউন্ড বা মালয়েশিয়া থেকে ১,০০০ ও ২,০০০ রিঙ্গিত। প্রতিষ্ঠান যেভাবে দেয়, রেট ও ফি ঠিক সেভাবেই নেওয়া হয়; আমরা নিজেরা কোনো রেট লিখি বা অনুমান করি না। এরপর প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ একই মোট পরিশোধের ভিত্তিতে সমন্বয় করা হয়, যা নিচে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো পথে সেবা না দিলে, যেমন আমিরাতের প্রেরকদের সেবা দেয় না এমন প্রতিষ্ঠান, সেটি চুপচাপ বাদ না দিয়ে ‘সেবা নেই’ হিসেবে দেখানো হয়।
মিড-মার্কেট মানদণ্ড
মিড-মার্কেট রেট হলো পাইকারি বাজারে কোনো মুদ্রা কেনা ও বেচার মাঝামাঝি দাম, যাতে কোনো মার্জিন নেই। বাংলাদেশের জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ডলার/টাকা ভারিত গড় রেট (WAR) থেকে শুরু করি এবং একটি বিনামূল্যের দৈনিক ডলার ক্রস রেট ফিড (fawazahmed0/currency-api) দিয়ে পাউন্ড বা দিরহামে রূপান্তর করি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেট আগের কর্মদিবসের আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ভিত্তিতে, আর ক্রস রেট দৈনিক রেফারেন্স, তাই মানদণ্ডটি লাইভ বাজার থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকতে পারে। কখনো কোনো প্রতিষ্ঠানের রেট এর চেয়ে সামান্য বেশি হলে টেবিলে ঋণাত্মক মার্জিনের বদলে কতটা বেশি তা দেখানো হয়।
সবার জন্য একই মোট পরিশোধ
প্রতিষ্ঠানগুলো ভিন্ন ভিন্নভাবে ফি নেয়: কেউ পাঠানো অঙ্ক থেকে ফি কাটে, কেউ ওপরে যোগ করে। সমানে সমান তুলনার জন্য আমরা অঙ্কটিকে ফিসহ মোট পরিশোধ হিসেবে ধরি। যারা ফি ওপরে যোগ করে, তাদের ক্ষেত্রে ফি ওই মোট থেকে কাটলে কত পৌঁছাত তা হিসাব করি: প্রাপ্ত = (অঙ্ক − ফি) × রেট।
কোনো প্রতিষ্ঠান একাধিক পরিশোধ বা গ্রহণের পদ্ধতি দিলে আমরা একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকল্প ব্যবহার করি: Wise-এ ব্যাংক ট্রান্সফারে পরিশোধ, Remitly-এর প্রথম ট্রান্সফারের ছাড় নয় বরং সাধারণ দাম, WorldRemit-এর যে পেআউট পদ্ধতিতে সবচেয়ে বেশি টাকা পৌঁছায় সেটি, এবং Xe-এর ডিফল্ট বিকল্প। Taptap Send প্রতিটি পথে একটি রেট প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশের জন্য কোনো ফি উল্লেখ করে না।
মিড-মার্কেটের তুলনায় মার্জিন
মার্জিন কলাম ফি এবং বিনিময় হারের বাড়তি অংশকে একটি সংখ্যায় মেলায়: মার্জিন = (মিড-মার্কেট রেট − প্রাপ্ত ÷ পাঠানো অঙ্ক) ÷ মিড-মার্কেট রেট। মার্জিন যত কম, আপনার অর্থের তত বেশি অংশ পরিবারের কাছে পৌঁছায়।
আজকের উদাহরণ: Xe-এ মোট ১,০০০£ পাঠালে (ফি ০.০০£, রেট ১৬৩.৯২৬২) পৌঁছায় ১,৬৩,৯২৬.২০৳।
কার্যকর রেট = ১,৬৩,৯২৬.২০৳ ÷ ১,০০০£ = ১৬৩.৯২৬২। মিড-মার্কেট রেট ১৬৪.৫৪৫৮। মার্জিন = ০.৩৮%।
কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলে
প্রতিষ্ঠানগুলো কখনো স্বয়ংক্রিয় অনুরোধ আটকে দেয় বা সাময়িক বিভ্রাট হয়। তখন আমরা সেই প্রতিষ্ঠানকে লুকাই না, বরং সংগ্রহের সময়সহ ‘পুরোনো’ চিহ্ন দিয়ে তার সর্বশেষ সঠিক কোট দেখাই। মানদণ্ডের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।
যা ধরা হয়নি
বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্সে বাংলাদেশ সরকারের নগদ প্রণোদনা, প্রাপকের ব্যাংক বা ওয়ালেটের কোনো চার্জ, এবং এককালীন প্রচারণামূলক অফার দেখানো পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত নয়।
প্রশ্নোত্তর
- মার্জিন কীভাবে হিসাব করা হয়?
- মার্জিন = (মিড-মার্কেট রেট − প্রাপ্ত অঙ্ক ÷ পাঠানো অঙ্ক) ÷ মিড-মার্কেট রেট, ফিসহ মোট পরিশোধ ধরে।
- কোনো প্রতিষ্ঠানের রেট মিড-মার্কেট মানদণ্ডের চেয়ে বেশি হয় কেন?
- মানদণ্ডটি বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের কর্মদিবসের ভারিত গড় রেট ও দৈনিক ক্রস রেট ব্যবহার করে, তাই এটি লাইভ বাজার থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকতে পারে।
- প্রথম ট্রান্সফারের ছাড় বা অফার কি ধরা হয়?
- না। আমরা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সাধারণ দাম দেখাই, যাতে নিয়মিত ট্রান্সফারেও তুলনাটি প্রযোজ্য থাকে।
GBP → BDT · USD → BDT · EUR → BDT · AED → BDT · MYR → BDT · SGD → BDT